নামাযের শুরুতেই নিয়্যত করা জরুরী হলেও রোযার ক্ষেত্রে সুর্য হেলে যাওয়া পর্যন্ত বিলম্ব কেন?

জিজ্ঞাসা: আমরা জানি, রোজার জন্য নিয়্যত করতে হয় এবং নামাযের জন্যও নিয়্যত করতে হয় । আর হানাফী মাযহাবের উসূল হল , নিয়্যত ঐ সময় করা হবে যখন সে ঐ কাজে আত্মনিয়োগ করবে । এই হিসেবে রোজার শুরুতেই নিয়্যত করা শর্ত হওয়া উচিত ছিল। যেমন আমরা নামাযের শুরুতেই নিয়্যত করে থাকি । আর রোজা শুরু হয় সুবহে সাদিক এর পর থেকে......

বিস্তারিত»

ঔষধের মাধ্যমে রমযান মাসে হায়েয বন্ধ রাখা

জিজ্ঞাসা: যদি কোন মহিলার হায়েযের দিনসমূহ রমযান মাসের মধ্যে পড়ে যায়, ফলে উক্ত মহিলা কোন প্রকার ঔষধ সেবনের মাধ্যমে হায়েযকে বন্ধ করে রমযান মাসের রোযা পালন করে ফেলে তাহলে পরবর্তীতে ঐ রোযাগুলোর ক্বাযা করতে হবে কি না? এবং উক্ত পদ্ধতিতে হায়েয বন্ধ করা শরীয়ত সম্মত কি না? জবাব: উক্ত মহিলার জন্য পরবর্তীতে রোযা গুলোর কাযা করার প্রয়োজন নেই। আর ঔষধ......

বিস্তারিত»

অসুস্থতার কারণে রোজা না রাখার বিধান

জিজ্ঞাসা:  কোন প্রকারের অসুস্থতা হলে রোযা না রাখা জায়েয? এবং সুস্থ হওয়ার পর তার কাযা আদায় করতে হবে? না কি শুধু ফিদয়া দিলেই যথেষ্ট হবে? আর ফিদইয়ার পরিমাণই বা কী? জবাব:  রোগের লক্ষণ দেখে, বা অভিজ্ঞতার আলোকে অথবা কোন মুসলমান দ্বীনদার অভিজ্ঞ ডাক্তারের বলার দ্বারা যদি এ ব্যাপারে প্রবল ধারণা জন্মে যে, রোযা রাখলে রোগী মৃত্যুবরণ করবে, বা তার অঙ্গহানী হয়ে......

বিস্তারিত»

রোযা অবস্থায় হস্তমৈথুন করলে

জিজ্ঞাসা: কোন ব্যক্তি যদি রমযান মাসে রোযা অবস্থায় হাতের সাহায্যে বীর্যপাত করে, তাহলে তার রোযা ভঙ্গ হবে কি না? ভঙ্গ হলে তার জন্য করণীয় কী? জবাব: রমযান মাসে রোযা অবস্থায় হস্তমৈথুন করার দ্বারা বীর্যপাত হলে ঐ রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে এবং এই রোযার শুধু কাযা করা ওয়াজিব হবে। কাফফারা ওয়াজিব হবে না। হস্তমৈথুন মারাত্মক কবীরাহ গুনাহ, কাজেই এগুনাহ থেকে তওবা......

বিস্তারিত»

রোজা অবস্থায় স্যালাইন নিলে রোযা ভাঙ্গবে কি না?

জিজ্ঞাসা: রোযা অবস্থায় আমার অপারেশন হয়, অপারেশনের সময় ডাক্তার সাহেব আমার সকল প্রকার খানাপিনা বন্ধ করে দেন। আর আমার যাতে ক্ষুধা না লাগে সেজন্য আমাকে স্যালাইন দেয়া হয়। জিজ্ঞাসা হল, স্যালাইনটি যেহেতু ক্ষুধা নিবারণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। তাই আমার রোযা কি ভঙ্গ হয়েছে? আর এ ক্ষেত্রে আমার করণীয় কী? জবাব: রোযা অবস্থায় স্যালাইন নেয়ার দ্বারা রোজা ভঙ্গ হয় না।......

বিস্তারিত»

রোজা অবস্থায় কয়েল বা আগর বাতির ধোঁয়া গ্রহণ করা

জিজ্ঞাসা: রোজা অবস্থায় কয়েল বা আগর বাতির ধোঁয়া গ্রহণের হুকুম কী? জবাব: রোজাবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে কয়েল বা আগর বাতির ধোঁয়া গ্রহণ করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং এ কারণে শুধু ঐ রোজার কাজা ওয়াজিব হবে; কাফফারা নয়। অবশ্য, যদি অনিচ্ছাকৃত ভাবে এ ধোঁয়া ভিতরে চলে যায়, তাহলে রোজা ভঙ্গ হবে না। সূত্র: আদ্দুররুল মুখতার : ২/৩৯৫, হাশিয়াতুত তাহতাবী : ৬৬০, ইমদাদুল আহকাম......

বিস্তারিত»

সেহরীর সময় আছে মনে করে পানাহার করলে

জিজ্ঞাসা: আমাদের মসজিদে এক ইতেকাফকারী ব্যক্তি ঘুমানোর আগে রাতে মুয়াজ্জিন সাহেবকে জাগিয়ে দেয়ার জন্য বলে ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু ঘটনাক্রমে ঐ রাতে মুয়াজ্জিন সাহেবও সঠিক সময়ে উঠতে পারেনি। আযানের সামান্য কিছুক্ষণ পূর্বে উঠে তারা খানা খেতে শুরু করেন। তখন অন্য মসজিদে আযান দিয়ে দিয়েছে। এখন তাদের উক্ত রোজার হুকুম কী? জবাব: রোজা শুদ্ধ হওয়া না হওয়ার সম্পর্ক হল, সুবহে সাদিক উদিত......

বিস্তারিত»