পরিচিতি

অত্র জামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশিষ্ট সমাজ সেবক, দাওয়াত ও তাবলীগের কাজে নিবেদিতপ্রাণ আলহাজ্ব এম, এ, গফুর সাহেবের স্বপ্ন ছিল, ওয়াসা রোড জামে মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি কওমী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করবেন। এজন্য তিনি এমন এক মনীষীকে খুঁজতে লাগলেন যার স্কন্ধে দণ্ডায়মান হবে সে মাদরাসা। অবশেষে দাওয়াত ও তাবলীগের নিসবতে তিনি পেয়ে যান বর্তমান শাইখুল হাদীস ও প্রতিষ্ঠাতা মুহতামিম বলিষ্ঠ মুবাল্লিগ, একনিষ্ঠ দাঈ মুফতী মুনিরুজ্জামান সাহেবকে। আর ব্যক্ত করেন সেই মোবারক স্বপ্নের ইতিকথা। এতদশ্রবণে মুহতামিম সাহেবও যার পর নাই খুশি হন। যেহেতু তিনিও হৃদয়ের মণিকোঠায় লালন করছিলেন এমন একটি দ্বীনি মারকাযের, যার নিসাবে তা’লীম তথা শিক্ষা কারিকুলাম এমন স্বয়ংসম্পূর্ণ যুগোপযোগী হবে, যার স্পর্শে এ দেশে শত সহস্র আল্লাহওয়ালা বুযুর্গ ও মুবাল্লীগ তৈরি হবে। যারা একেকজন হবে তাওয়াক্কুল ও বিনয়ের জীবন্ত প্রতীক। তারা শুধু দেশেই নয়; বরং বিশ্বব্যাপী দ্বীন ইসলামের নানামুখী খিদমত ও দাওয়াত ইলাল্লাহর কাজ আঞ্জাম দিবে। অতঃপর ২০০১ইং সনে আল্লাহ পাকের মেহেরবানীতে তাদের উভয়ের সার্বিক প্রচেষ্টা এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সহযোগিতায় সে সময়ের দোতলাবিশিষ্ট ওয়াসা রোড জামে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় স্বল্প পরিসরে গড়ে ওঠে আজকের জামিয়া ইসলামীয়া বাইতুন নূর। হাটি হাটি পা-পা করে অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরিয়ে এক দু’শ্রেণী করে অগ্রসর হতে থাকে জামিয়া। এক পর্যায়ে মিশকাত জামাতে গিয়ে উপনীত হয়। সুদীর্ঘ ১০ বছর পর সেই লালিত স্বপ্নের পূর্ণতা বিধান হয় গত ২০১১ইং শিক্ষাবর্ষে দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) খোলার মধ্য দিয়ে। আর ২০১২ ইং শিক্ষাবর্ষে ইফতা বিভাগ চালু করার মাধ্যমে সেই স্বপ্নীল অর্জনে নতুন মাত্রা যোগ হয়।

লিখেছেন jibaitunnoor